শীত পড়ল না তেমন করে।অথচ দিব্যি যাই যাই করছে।শ্রীনিকেতনে এখনই হাওয়ায় শুকনো পাতারা ওড়াউড়ি করছে।আমাকে বোল এসেছে।সকাল সন্ধ্যা একটু শীতশীত ভাব আছে বটে,রাততিরেও কম্বল লাগছে কিন্তু দিনে রোদের তাপে হাত পা শুকনো।ছোটবেলায় এদিকে যখন আসতাম বড়দের হাত ধরে তখন সবটাই আলাদা ছিল।পৌষমেলায় তুমুল হৈহৈ,মাটির পুতুল,ডোরা, কাঁথারকাজ,পোড়ামাটি,সুতোর গয়না সবই কালক্রমে বেশীবেশী চেনাশোনা হয়ে গেছে।তাছাড়া সবকিছুই এখন সর্বত্র পাওয়া যায়।ইসপেশাল বলে কিছুটা রইল না।তারপর সারাক্ষণ এই ভালো না,সেই ভালো না শুনতে শুনতে মন খারাপ হয়।ওদিকে গেলে কি যে খুঁজি নিজেই বুঝি না।ওদিকে কাজকমমের চাপে দম বন্ধ ।ভাল করে কাজ করতে চাইলে কাজের ফাঁকি চাই শ্বাস নেবার জন্যে ।তখন ভীড় চাই না।চাই সরু মাটির পথ।দুয়ারে আলপনা।পথের ধারে গাছের নিজেদের মত করে বড় হয়েছে।সবুজ ছড়িয়েছে ।এখানে সকালে শিশির পড়ে।রাততিরে হিম।কান পাতলে শেয়ালের ডাক শোনা যায়।অথচ ভয় লাগে না।বাগানে হাঁটতে গিয়ে দেখি সরসর করে লম্বা একজন চিত্রল শরীর নিয়ে চলে যাচ্ছেন ।আশ্রম বাসী বললেন "ও কিছু না।সবাই মিলে মিশে থাকি।"লেবুফুলে ভরে আছে চারদিক।মিষ্টি গন্ধে ম'ম' করছে।মিলেমিশে না থাকলে হয়?কতকিছু শেখার আছে!ভাবলেই মন তরতাজা!খেতে বসলে মেঝেন ছোট্ট বাটিতে পোষা গরুর দুধের ঘি দেন।ঝরঝরে আলুভাজা।চমৎকার সুক্তো।পাটালি পাটিসাপটা।
না।বাইরে যাব না।একটি বই নিয়ে খসে ঢাকা বারান্দায় বসে থাকবো।সারাদিন আঁখি মেলে।ভাববো---কি গান গাব যে ভেবে না পাই।
না।বাইরে যাব না।একটি বই নিয়ে খসে ঢাকা বারান্দায় বসে থাকবো।সারাদিন আঁখি মেলে।ভাববো---কি গান গাব যে ভেবে না পাই।

No comments:
Post a Comment