Monday, 1 August 2016
পাহাড়ের কাছে গেলে প্রতি নিয়ত কেমন করে ঐশ্বর্যবান হয়ে উঠি ,হয়ে উঠি মহামহিম আর কেমন করে এই সাধারন ক'টি কথা বারবার লিখি বারবার লিখি আর ভাবি এই মুহূর্তে টান মেরে খুলে দেবো সব ছদ্মবেশ আর শেওলাপড়া মেঝে ,উই লাগা দেওয়াল ভেদ করে সবাইকে নিয়ে যাবো পাকদণ্ডী র বাঁকে কারণ মরে মরে ছক কষে বেঁচে থাকার সহজ বৃত্ত গুলি মূলত ফাঁসির দড়ি অথচ কেউ দেখতে পাচ্ছি না কেউ দেখতে পাচ্ছে না যে অদ্ভূত এক নীলচে ভোর অপেক্ষা করছে ,অপেক্ষা করছে শেওলাপড়া দেওয়ালের গায়ে হলুদ পুষ্প রাজি ,তারা কেমন পরাগ ছড়াচ্ছে রোদদূরে আর সব রক্ত পাতের কাহিনী মুছে দিচ্ছে, ধুয়ে দিচ্ছে অন্ধ চোখের গ্লানি, খিটিমিটি করা দম্পতি সহসা লাবণ্য পূর্ণ প্রাণ, একি অলৌকিক বিস্ময় সমস্ত গেরিলা যুদ্ধ থেমে যাচ্ছে, থেমে যাচ্ছে বন্দুকের শব্দ, পেলেটের খোঁচা আর মৃত্যু কে কেউ ভয় পাচ্ছে না,গভীর গিরিখাতের সামনে দাঁড়িয়ে আছো তুমি আমার গানের ওপারে ,হঠাৎই ঝুপঝুপে বরষণে ভিজে এই দেখো উড়িয়ে দিচ্ছি সব বিমর্ষতা আর অভিধান থেকে ছিঁড়ে কুচিকুচি করে উড়িয়ে দিচ্ছি বিষন্নতা, এইসব শৌখিন বিষন্নতা ফুঁ দিয়ে সরিয়ে দিতে পারে দুমড়ানো বাড়ি,গাড়ি উলটালে কোথায় যাবে বলো কি করবে আতঙ্ক ধরে নিয়ে গেলে ভূমিকম্প হলে কোথায় পালাবে তার চেয়ে মন দিয়ে বাঁচো দেখো ঠান্ডা বাতাস এসে ভালবেসে গেল বলে গেল উৎকীর্ণ হতে আর ঝলমল করে বেঁচে নাও ঝরণা র হাত ধরে বলো কাব্য কথা গাদোয়ালে সাজো, সাজো বড় টিপে,শুচিবাই দিদিমণি বেঁচে নাও আপ্রাণ কি বা হবে গুঢ় মনস্তাপে আহত কৈশোর বাঁচো নবধারাজলে আহা পুত্র হারা মম্ কেনো পানীয়ের ঘ্রাণ খোঁজে দুধের বোতলে খোঁজে পাহাড়ের মগ্ন ধূপে অমৃত বারিধি, কিছু অনিশ্চিত বেঁচে থাকা কাজলে আতরে বাঁচো গাঢ় বন্দরে আর এইসব চিত্র মালা নিয়ে যাক অরণ্য অন্তরে
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment